ঢাকা, রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet দামুড়হুদায় সার সিন্ডিকেটে প্রশাসনের কঠোর আঘাত: ১৫০০ বস্তা অবৈধ সার জব্দ Headline Bullet পুজার ছুটি শেষে বাসায় ফিরে দেখেন অর্ধকোটি টাকাসহ স্বর্নলংকার চুরি Headline Bullet বিয়ের তিন সপ্তাহের মাথায় স্ত্রীর পলায়ন Headline Bullet প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিবের পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারনা Headline Bullet দামুড়হুদায় টহলরত পুলিশকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা: ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মারুফ গ্রেপ্তার Headline Bullet কোটচাঁদপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত নারী আসামি গ্রেফতার Headline Bullet মহেশপুর সীমান্তে ভারতীয় ৩০ প্যাকেট কীটনাশক উদ্ধার Headline Bullet ভারতের দিনে দুপুরে মাথা থেতলে বন্ধুকে হত্যা Headline Bullet মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় দুই বাংলাদেশি আটক Headline Bullet মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দর্শনা ডিলাক্স বাস খাদੇ পড਼ে নিহত ৩, চুয়াডাঙ্গার সুপারভাইজার রঞ্জু আর নেই!​

ছুঁয়েও দেখলেন না কোন ডাক্তার, বাবার কোলেই শিশুর করুণ মৃত্যু

আন্তর্জাতিক সময় ডেস্ক   আপডেট
২৯-০৬-২০২০, ২০:২৩

ছুঁয়েও দেখলেন না কোন ডাক্তার, বাবার কোলেই শিশুর করুণ মৃত্যু

ছুঁয়েও দেখলেন না কোন ডাক্তার, বাবার কোলেই শিশুর করুণ মৃত্যু

আরও পড়ুন

‘কোলে নিষ্প্রাণ হয়ে পড়ে থাকা এক বছরের সন্তানটি নিয়ে হাসপাতাল চত্বরে শুয়ে হাউমাউ করে কাঁদছিলেন প্রেমচাঁদ । পাশে বসে তাঁর স্ত্রী আশা দেবীও সমানে কেঁদে যাচ্ছিলেন। রোববার( ২৯ জুন) বিকেলে এমনই এক দৃশ্য দেখা গেল ভারতের উত্তরপ্রদেশের কনৌজে।

কয়েক দিন ধরে শিশুটির জ্বর। গলাও ফুলে উঠেছিল। ছেলেকে নিয়ে প্রেমচাঁদ ও তাঁর স্ত্রী সোজা ছুটে গিয়েছিলেন কনৌজের সরকারি হাসপাতালে। অভিযোগ, চিকিৎসকরা শিশুটিকে ছুঁয়ে পর্যন্ত দেখেননি, উল্টে প্রেমচাঁদকে বলেছেন, এখানে কিছু করা সম্ভব নয়। কানপুরের হাসপাতালে তাঁরা যেন শিশুটিকে নিয়ে যান।

যদিও চিকিৎসকরা এবং হাসাপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রেমচাঁদের এই অভিযোগকে সরাসরি নস্যাৎ করেছেন। উল্টে হাসপাতালের তরফ থেকে দাবি করা হয়, ওই দিন বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট নাগাদ শিশুটিকে নিয়ে আসেন ওই দম্পতি। তার অবস্থা খুবই সঙ্কটজনক ছিল। সঙ্গে সঙ্গেই শিশুটিকে জরুরি বিভাগে ভর্তি করানো হয়। প্রাথমিক চিকিৎসর পর খবর দেওয়া হয় শিশুরোগ বিশেষজ্ঞকে। কিন্তু তত ক্ষণে আধঘণ্টা কেটে গিয়েছিল। এই সময়ের মধ্যেই মৃত্যু হয় শিশুটির।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরও দাবি করেন, শিশুটিকে বাঁচানোর যথাসাধ্য চেষ্টা করা হয়েছিল। এখানে গাফিলতির কোনও প্রশ্নই ওঠে না।

কিন্তু প্রেমচাঁদের অভিযোগ, “প্রথমে চিকিৎসকরা ছেলেকে ছুঁয়ে দেখতেই চাননি। হাসপাতালেই বেশ কিছু লোক ঘটনাটির ভিডিও করতে থাকায় চিকিৎসকরা ছেলেকে পরীক্ষা করা শুরু করেন। আমাদের আধঘণ্টা অপেক্ষা করানো হয়েছিল। তারপর ছেলেকে কানপুরে নিয়ে যেতে বলেন চিকিৎসকরা।” এর পরই প্রেমচাঁদ বলেন, “আমি গরিব মানুষ। টাকা নেই। কীই বা করতে পারতাম!”  


     এই বিভাগের আরো খবর